HealthIndiaNewsSambad Matamat

বিকল্প চিকিৎসা কেন্দ্র ইরিমের মাঝে কিছু কথা

অরুণ কুমার। 

পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার মৌরিগ্রামে অবস্থিত ইন্ডিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন বা সংক্ষেপে ইরিম যা বিকল্প ও সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতির জন্য সমাদৃত ও পরিচিতি লাভ করেছে। এই ইন্ডিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন -ইরিম হলো ভারতের একটি বিশিষ্ট চিকিৎসা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।এটি মূলত ওষুধবিহীন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যেমন-আকুপাংচার, যোগব্যায়াম, এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসার প্রচার ও প্রসারের জন্য বিখ্যাত। 

এই ইরিম প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা  জানা গিয়েছে তা হল,এর প্রতিষ্ঠা হয়  ১৯৮১ সালে ভারতবর্ষের আকুপাংচার চিকিৎসার জনক ডঃ বিজয় কুমার বসুর ছাত্রদের উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল পাশ্চাত্য ধারার আধুনিক চিকিৎসার সঙ্গে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসার সমন্বয় ঘটানো। এর লক্ষ্য হলো চিকিৎসার খরচ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানো এবং মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। 

এখানকার চিকিৎসা পরিষেবা অসাধারণ ঘরোয়া পরিবেশে সেই সঙ্গে সেবা যত্নের মধ্যে দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তোলার কাজ করা হয়। পাশাপাশি এখানে সুতোর মতো সরু স্টিলের সূচ শরীরের বিভিন্ন পয়েন্টে ফুটিয়ে নার্ভ স্টিমুলেট করার মাধ্যমে রোগ নিরাময় করা হয়। এটি বাত, ব্যথা এবং স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকরী। একথা বলেছেন ইরিমের কর্ণধার ডা: দেবাশীষ বক্সী।

এই কেন্দ্রের বিশেষত্ব হলো চিকিৎসার পাশাপাশি গবেষণা ও শিক্ষা কাজ করে চলেছে এই প্রতিষ্ঠানটি চার দশকের বেশি সময় ধরে আকুপাংচার, যোগ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার উপর শিক্ষাদান ও গবেষণার ক্ষেত্রে। এখানে একাধিক কোর্স ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেমেয়েরা এখানে এই কোর্স ও প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ নিজ জায়গায় ফিরে গিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে ও আকুপাংচার সহ বিকল্প চিকিৎসা ক্ষেত্রে পরিষেবা দিয়ে চলেছে। চলুন এবার এই ইরিমের পথ চলার ইতিহাস সম্পর্কে একটু অতীতের দিকে তাকানো যাক। ভারতে আকুপাংচার চিকিৎসা ও বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির ইতিহাস জানতে হলে 

প্রথমেই ইরিম এর  কথা বলতে হবে। এর প্রেক্ষাপট ভীষণ রোমাঞ্চকর। জানা গিয়েছে সময়টা ছিল ১৯৩৮ সাল। প্রায় ২০০ বছর ধরে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে উত্তাল ছিল ভারতবর্ষ। অপরদিকে ‘জাপানি আগ্রাসন বিরোধী জোট’ ভারতের প্রতিবেশী চিন দেশে। সেদেশের মুক্তিকামী জনগণ এই জোট গড়ে দীর্ঘ সংগ্রাম করছেন। এমন এক সন্ধিক্ষণে চীনের জনগণ ‘ভারতের জাতীয় কংগ্রেস’-এর কাছে চিকিৎসা-সাহায্যের আবেদন জানালে পরাধীন চিনের পাশে দাঁড়ালো পরাধীন ভারতের মানুষ। এরপরে বিভিন্ন ধরনের  চিকিৎসা-সরঞ্জাম নিয়ে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৮, সমুদ্রপথে চিনের উদ্দেশে রওনা দেয় পাঁচ সদস্যের মেডিকেল মিশন যাদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ দ্বারকানাথ কোটনিস,ডাঃ বিজয় কুমার বসু,ডাঃ দেবেশ মুখোপাধ্যায় সহ  ডাঃ মদনলাল অটল, ডাঃ এম চোলকার প্রমুখ।

এরপরের ইতিহাস ১৯৩৮ থেকে ৪৩ সালের আরো রোমাঞ্চকর।সেই সময়ের চিনের প্রবল প্রতিকূল পার্বত্য পরিবেশে আহত সৈনিকদের চিকিৎসা করে, সংগ্রামী গ্রামবাসীর পাশে থেকে এবং তাদের থেকে পরবর্তী চিকিৎসক বাহিনী গড়ার প্রশিক্ষণে, ভারতীয় মেডিকেল মিশন বিশেষ করে ডাঃ বসু ও ডাঃ কোটনিস, বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক নরম্যান বেথুন-এর যোগ্য উত্তরসূরী রূপে মানবসেবা ও আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্বের এক চিরস্মরণীয় উদাহরণ স্থাপন করেন তারা। যুদ্ধক্ষেত্রে বিনা বিশ্রামে একটানা ৪৮ ঘণ্টা অপারেশন করতে করতে অসুস্থ হয়ে ১৯৪২ সালের ১০ ডিসেম্বর  সালে ডাঃ কোটনিস প্রাণ হারান। এ এক স্মরণীয় ইতিহাস হয়ে আছে মেডিকেল মিশনের ক্ষেত্রে।

ইতিহাসের পাতায় একটু পিছনে ফিরে তাকালে আমরা দেখতে পাবো ১৯৪৩-১৯৫৮ সালে এই সময়কালে দেশে ফিরে ডাঃ বিজয় কুমার বসু স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং জনসেবামূলক কাজে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ১৯৫৭ সালে নতুন চিনের আমন্ত্রণে মেডিকেল মিশনের সদস্যরা চিনে যান। সেখানে আধুনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রাচীন ঐতিহ্যশালী চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতিসাধন দেখেন। সেখানে ডাঃ বসুর নিজের চিকিৎসা হয় আকুপাংচার দ্বারা এরপর ১৯৫৮ সালে আবার  চিনে গিয়ে তিনি এই চিকিৎসা বিদ্যা শেখেন। যা আগামী দিনে ভারতে আকুপাংচার  চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিসেবা বিস্তারের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।

বর্তমানে প্রথাগত পাশ্চাত্য চিকিৎসার বিপুল ব্যয়ভার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত সংকটের সময়ে মেডিকেল মিশন, কোটনিস ও বসুর শিক্ষাকে স্মরণে রেখে, হাওড়ার মৌরিগ্রামে  অবস্থিত এই ইরিম সেবামূলক ভাবে চিকিৎসা করে থাকে। ইরিমের কর্ণধার ডা: দেবাশীষ বক্সী জানিয়েছেন, আকুপাংচার রোগ নিরাময়ের একটি প্রাচীন ওষুধবিহীন চিকিৎসা পদ্ধতি। এর সাহায্যে কয়েক হাজার বছর ধরে সমগ্র বিশ্বে স্বল্প ও দীর্ঘকালীন বহু অসুস্থতার সফল চিকিৎসা হয়ে চলেছে। বর্তমানে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার পর সর্বাধিক প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি হলো আকুপাংচার। এর স্বতন্ত্র তত্ত্ব দ্বারা মানুষের শরীর, রোগ ও রোগ নির্ধারণ এবং নিরাময়ের উপায় নির্ণয় সম্ভব বলে, আকুপাংচার আজ স্বাধীন চিকিৎসা বিজ্ঞান হিসাবে পৃথিবীতে স্বীকৃত। এই চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক মান নির্ধারণ, শিক্ষাক্রম তৈরি ও প্রসারের ক্ষেত্রে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’-র ভুমিকা উল্লেখযোগ্য I

এ বিষয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে ডা: বক্সী জানিয়েছেন,১৯৫৯ সালে ডাঃ বিজয় কুমার বসু  কলকাতায় আকুপাংচার চিকিৎসা শুরু করেন এবং শিক্ষাও দেন। এভাবেই পথ চলা শুরু ইরিমের। ১৯৭২ সালে বর্তমানে ইরিমে কর্মরত ভারতের প্রবীণতম চিকিৎসকদ্বয় ডাঃ চন্দনা মিত্র ও ডাঃ দেবাশিস বক্সী সহ কিছু ডাক্তারি ছাত্র ডাঃ বসুর কাছে আকুপাংচার শেখেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল পাশ্চাত্য ধারার আধুনিক চিকিৎসার সঙ্গে প্রাচীন পরম্পরাগত চিকিৎসার সমন্বয় ঘটিয়ে এমন এক নতুন ধারার চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যার দ্বারা চিকিৎসার খরচ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানো এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়। ১৯৭৩ সালে ডাঃ বসুর সভাপতিত্বে ডাঃ দ্বারকানাথ কোটনিস স্মৃতিরক্ষা কমিটি পুনরুজ্জীবিত হয়। কমিটির শাখাগুলিতে আকুপাংচারকে জনসেবার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার ফলে এই চিকিৎসার বিশেষ প্রসার ঘটে।

সম্প্রতি মৌরীগ্রামে  উদ্বোধন হয়েছে ভারতীয় মেডিকেল মিশন, ডাঃ কোটনিস, ডাঃ বিজয় বসু এবং ইরিম বিষয়ক স্থায়ী প্রদর্শনশালা বিকল্প ব্রত। অতীত বর্তমান এবং আগামী দিনের বার্তা বহন করে চলেছে এই বিকল্প ব্রত প্রদর্শন শালা বা মিউজিয়াম।

হাওড়া রেল স্টেশন থেকে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট দূরত্বে অবস্থিত মৌরিগ্রামের এই অভিনব বিকল্প চিকিৎসা কেন্দ্র ইরিমের ইতিহাস বলতে গিয়ে ডা: বক্সী জানিয়েছেন, ১৯৮১ সালে মূলত ডাঃ বসুর ছাত্রদের উদ্যোগে আকুপাংচারকে কেন্দ্র করে কম খরচে এক সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান রিসার্চ ইন্সটিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন বা ইরিম সংস্থা। বর্তমানে ইরিম, প্রাচীন ঐতিহ্যশালী চিকিৎসাবিজ্ঞান-ভিত্তিক সমন্বিত চিকিৎসা-সেবা, শিক্ষা এবং গবেষণার একটি পরিচিত প্রতিষ্ঠান। এটাই আমাদের দেশে অর্থাৎ ভারতে প্রথম আকুপাংচার বিষয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে ১৯৯৬ সাল থেকে লাগাতার, কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দ্বারা স্বীকৃতি পেয়ে আসছে ইরিম। ২০০০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ চিকিৎসা গবেষণা সংস্থা আই.সি.এম. আর.-এর অর্থানুকূল্যে ‘বাত রোগে আকুপাংচারের তুলনামূলক ফলাফল’ বিষয়ে প্রথম গবেষণা প্রকল্প সাফল্যের সঙ্গে শেষ করেছে। বর্তমানে প্রথাগত পাশ্চাত্য চিকিৎসার বিপুল ব্যয়ভার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত সংকটের সময়ে মেডিকেল মিশন, কোটনিস ও বসুর শিক্ষাকে স্মরণে রেখে, ইরিম সেবামূলক ভাবে চিকিৎসা করে থাকে। উল্লেখযোগ্য, ইরিম, চিনা আকুপাংচার ও ভারতীয় যোগ চিকিৎসার সমন্বয়ের মাধ্যমে ভারত-চিন মৈত্রীর বাস্তব উদাহরণও স্থাপন করে চলেছে। ২০১৪ সাল থেকে ইরিম, ভারতীয় আকুপাংচারিস্টদের সর্ববৃহৎ সংগঠন, ‘আকুপাংচার সায়েন্স এসোসিয়েসন (আসা) ইন্ডিয়া’-এর মূখ্য কার্যালয় হিসাবে কাজ করছে। 

মানব কল্যাণ-কর্মের প্রতি নিষ্ঠার এই ধারাবাহিক ইতিহাসের ঘটনাগুলিকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য ইরিমের নতুন উদ্যোগ ‘বিকল্প ব্রত’ শিরোনামে একটি স্থায়ী প্রদর্শশালা নির্মাণ। এই প্রদর্শশালাকে দুটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। এখানে রয়েছে প্রথম পর্বে ১৯৩৮ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত ঘটনাক্রমের ইতিহাস এবং দ্বিতীয় পর্বে : ১৯৮১ থেকে ২০২৪ ইরিমের যাত্রাপথ। প্রদর্শকক্ষে থাকছে, ভারতীয় মেডিকেল মিশন, ডাঃ কোটনিস, ডাঃ বিজয় বসু এবং ইরিম সংক্রান্ত বহু দুষ্প্রাপ্য আলোকচিত্র, সেই সংক্রান্ত তথ্য, আকুপাংচার সংক্রান্ত বিভিন্ন ভাষায় মুদ্রিত দুষ্প্রাপ্য বই, আকুপাংচার চিকিৎসায় সেকাল এবং একালে ব্যবহৃত সুঁচ ও অন্যান্য উপকরণ। এগুলো একেকটি তথ্যমূলক ছবিসহ ডকুমেন্টেশন রয়েছে এই প্রদর্শনী কক্ষে। এই অভিনব সংগ্রহশালার ভাবনা ডাঃ দেবাশিস বক্সী এবং পরিকল্পনা ও রূপায়ণ অরিন্দম সাহা সরদারের। 

জানা গিয়েছে ২০২৪ এর ১ সেপ্টেম্বর, এই বিকল্প ব্রত এর পথ চলা আরম্ভ হয়েছিল। ভারতীয় মেডিকেল মিশন, ডাঃ কোটনিস, ডাঃ বিজয় বসু নামাঙ্কিত তাদের স্মরণে এবং ইরিম বিষয়ক এই স্থায়ী প্রদর্শশালার উদ্বোধন হয়েছিল অধ্যাপক ড: রামগোপাল (প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানী) এবং অধ্যাপক ডা: শ্যাম নারায়ণ পান্ডে (আচার্য, গ্লোবাল ওপেন ইউনিভার্সিটি নাগাল্যান্ড) এঁদের দ্বারা।

জানা গিয়েছে ইরিম এর প্রাতিষ্ঠানিক খ্যাতি তো হয়েছে  বিকল্প চিকিৎসার কেন্দ্র রূপে। ডা :দেবাশীষ বক্সী  জানিয়েছেন, আমাদের দেশে এই বিকল্প চিকিৎসার স্বীকৃতি পেলেও এখনো সেভাবে সারা দেশে কার্যকরী হয়নি কেবলমাত্র দুটি রাজ্য  পশ্চিমবঙ্গ মহারাষ্ট্র ছাড়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের এক্ষেত্রে দৃষ্টি দেওয়া যেমন প্রয়োজন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে এটা একটা ভালো লক্ষণ বলে ডা:বক্সী জানিয়েছেন। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাধারণ মানুষের আগ্রহ আগামী দিনে এই চিকিৎসা পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে তিনি মনে করেন।  এই ছিল  হাওড়া জেলার মৌরিগ্রামে এই বিকল্প চিকিৎসা কেন্দ্র ইরিমের ইতিহাস পথ  চলার কাহিনী এবং এখানকার প্রদর্শনী কক্ষ এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে নতুন প্রজন্মের কাছে। 

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: ডা: দেবাশীষ বক্সী মৌরিগ্রাম, হাওড়া হাওড়া 

Leave a Reply

Your email address will not be published.