Passing of senior journalist and author Sir Mark Tully
The Editors Guild of India (EGi) condoles the death of senior journalist and author Sir Mark Tully. For more than
Read MoreThe Editors Guild of India (EGi) condoles the death of senior journalist and author Sir Mark Tully. For more than
Read MoreThe Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) issued a statement stating that a broad-based public meeting in
Read Moreশিতাংশু গুহ, নিউইয়র্ক। হাদির সাথে হিরো আলমের তুলনা চলে। না, তাও চলেনা, হিরো আলম তো বাংলাদেশের পক্ষে ছিলো, হাদি পাকিস্তানী?
Read Moreবিশ্বজিত সাহা, নিউ ইয়র্ক নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার ৩৫তম আসরের (২০২৬) আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. নজরুল ইসলাম। গত
Read Moreশিতাংশু গুহ, নিউইয়র্ক ভারত ও হিন্দু বিরোধিতা দেখতে দেখতে বাংলাদেশে বড় হয়েছি, ভাবতাম একদিন তো এর শেষ হবে? কোথায় কি দিনদিন তা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশে খারাপ যাই হোক, সবকিছুর জন্যে ভারত দায়ী, এমনকি সদ্য যে মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে সেটার জন্যেও। হাদী নিহত হলেন পরকীয়া ও ৩শ’ কোটি ভাগাভাগির কারণে, ভারত দায়ী। ইংরেজীতে একটি কথা আছে, ‘ডোন্ট ব্লেম আদার্স ফর ইউর ফল্ট’-এটি আমাদের দেশে শেখানো হয়না। ড. ইউনুস রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ, তিনি ব্লেম দিচ্ছেন স্বৈরাচারকে! কি চমৎকার, তাইনা? ভারত বিরোধিতা ছাড়া বাংলাদেশে এখন আর কোন রাজনীতি নেই! অবশ্য কোন কালেই তা ছিলোনা, কম আর বেশি। এজন্যে দেশটি খুব বেশিদূর এগোতে পারেনি, যেটুকু এগিয়েছে তা শেখ হাসিনা’র সময়, তখন ভারত বিরোধিতা থাকলেও পক্ষে একটি শক্তি কাজ করছিলো। এখন তা নেই, তাই গত ১৭ মাসে উন্নয়ন ‘শূন্য’। চারিদিকে তাকান, শুধু ভারত বিরোধিতা, এতে ভারতের কি ক্ষতি হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়, কিন্তু বাংলাদেশ মুখ থুবড়ে পড়ছে। যখন ছোট ছিলাম, সেটি পাকিস্তান আমলের শেষদিকে, তখন ভাবতাম পাকিস্তান মুসলিম রাষ্ট্র, এটিই স্বাভাবিক। তারপর মুক্তিযুদ্ধকালে ভাবলাম, আমরা সবাই বাঙ্গালী হয়ে গেলাম, আর সমস্যা নাই। এরপর বাংলাদেশ হলো, দেখলাম হিন্দু-মুসলমান সমস্যা একটু একটু করে মাথাচাড়া দিচ্ছে। ভারতীয় সৈন্যদের নিয়ে প্রথম ভারত-বিরোধিতা শুরু হলো, অথচ ওঁরা মাত্র তিনমাস ছিলো। এরপর ২৫-বছরের তথাকথিত ‘গোলামী চুক্তি’? ঐ চুক্তিটি নেই তাও সিকি শতাব্দীর বেশি হয়ে গেছে, কেউ এখনো বললো না যে, ওই চুক্তির কোন ধারাটি গোলামীর ছিলো। এরপর ফারাক্কা সমস্যা। একসময় ভাবতাম, ফারাক্কা চুক্তি হয়ে গেলে হয়তো ভারত বিরোধিতার আর কোন ইস্যু থাকবে না! আব্দুর রাজ্জাকের সফল কূটনীতিতে শেখ হাসিনা ফারাক্কা চুক্তি করলেন। সমস্যা গেল না, থেকেই গেলো। এরপর তিনবিঘা, করিডোর, সমুদ্রসীমা সমস্যা মিটলো এবং প্রতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জিতেছে, কিন্তু ভারত বিরোধিতা থেকেই গেলো। এরপর তিস্তা চুক্তি। ওটা এখনো সমস্যাই আছে? আমাদের এক বন্ধু বলেন, ভারত কাপড় খুলে দিলেও সমস্যা মিটবে না! আচ্ছা, সমস্যাটি কি ভারতের না আমাদের? কিছু প্রগতিশীল বন্ধু প্রায়শ: বলতেন, ভারতের চারপাশে কোন প্রতিবেশীর সাথে সু-সম্পর্ক নেই, কথাটা সত্য। বাংলাদেশের চারপাশের প্রতিবেশীদের সাথে কি সু-সম্পর্ক আছে, নাই? গ্রামের বড় বাড়ীটি’র সাথে প্রতিবেশীদের খুব একটা ভাল সম্পর্ক থাকেনা, এটাই স্বাভাবিক। পাকিস্তানের সাথে কি প্রতিবেশীদের ভাল সম্পর্ক আছে? আফগানিস্তান-ভারতের সাথে সম্পর্ক নষ্ট, চীনের সাথে প্রভু-ভৃত্য সম্পর্ক, মার্কিন সেনা ইরানে ঢুকলে পাকিস্তান দিয়েই ঢুকবে! বাংলাদেশে মানুষ ভারত-বিরোধী মূলত: পরিচিতি সংকটের কারণে। বাংলাদেশের মানুষ কি বাঙ্গালী না মুসলমান, না ভারতীয় অথবা আরবীয়? বাংলাদেশের একশ্রণীর মুসলমান নিজেদের আরবীয় ভাবতে পছন্দ করেন? এমনকি শেখ হাসিনা আবিষ্কার করেছিলেন যে, তাদের পূর্ব-পুরুষ আরব থেকে এসেছিলেন। আরবীয় না হোক, অনেকে নিজেদের অন্তত: পাকিস্তানী ডিসেন্ডেন্ট ভাবতে মজা পান। অনেকে নিজেদের মুঘল-পাঠানদের বংশধর ভেবে পুলকিত হন? এগুলো পরিচিতি সংকটের কারণে হয়ে থাকে। ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ ভারতীয় এটি মানতে মুসলমান প্রবল আপত্তি। তর্কের খাতিরে ধরে নেয়া হোক যে, ভারত মুসলমান দেশ, তখন কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভারতীয় হতে কোন আপত্তি থাকতো না? তাহলে সমস্যাটি ভারত নয়, সমস্যা হিন্দু গান্ধী – জিন্নাহ’র কথাবার্তা লক্ষ্য করুন: গান্ধী বলছেন, ভারতের মুসলমান হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত, ধর্ম ভিন্ন হলেও ওঁরা ভারতীয়, সংস্কৃতি অভিন্ন। জিন্নাহ বলছেন, না, হিন্দুদের সংস্কৃতি ভারতীয়, মুসলমানের সংস্কৃতি আরবীয়, হিন্দুদের বহু দেবতা, আমাদের এক আল্লাহ ইত্যাদি। এ ডায়লগ ৪০’র দশকের। আজো এ বিভ্রান্তি আছে। এর কারণ হিন্দু ভারত। সমস্যা ভারত নয়, সমস্যা হিন্দু। উপমহাদেশের মুসলমানের মানতে কষ্ট হয় যে, তারা হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত।ওপরে ওপরে যত তর্কই হোক না কেন, উপমহাদেশের মুসলমান মনের গভীরে একথা জানে যে, তার পূর্ব-পুরুষ ধর্মান্তরিত। এটি মেনে নিতে কষ্ট হয়, অথচ এটিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিলে সমস্যা কমে যায়। আরবীয় বা পাকিস্তানী শিকড় খোঁজার কারণও একই, পরিচিতি সংকট। এ সংকট কবে কাটবে বলা মুশকিল, বাংলাদেশের মুসলমান আরবীয় মুসলমান নয়, ঠিক যেমনি বাংলাদেশের হিন্দু দক্ষিণ ভারতের হিন্দু নন। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালী মুসলমানের সাথে বাংলাদেশের মুসলমানের তেমন মিল নেই? অথচ বাংলাদেশে হিন্দ-মুসলমানে ধর্মভিন্ন সবকিছুতেই মিল? এ তত্ব মেনে না নেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের মুসলমানের ভারত বিদ্বেষ বা হিন্দু-বিদ্বেষ কমবে না। কারণ, হিন্দু বিদ্বেষই ভারত বিদ্বেষ অথবা ভারত বিদ্বেষই হিন্দু বিদ্বেষ। এ তত্ব পাকিস্তান ও ভারতের মুসলমানের জন্যেও প্রযোজ্য। বলছিলাম, ভারত বিরোধিতা ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন রাজনীতি নেই! ভারত বিরোধিতা মানে হিন্দু বিরোধিতা। এজন্যে বাংলাদেশে হিন্দু প্রতিনিয়ত মরছে। সামাজিক মাধ্যমে একজন সৈয়দ আজিজুর রহমান লিখেছেন, পুরো বাংলাদেশ এখন হিন্দুদের জন্যে কসাইখানা। দেশজুড়ে হিন্দু নির্যাতন, হিন্দু নিধন চলছে, মিশন দেশকে হিন্দুছাড়া করা।
Read MoreThe US Secretary Mr Rubio spoke with Indian External Affairs Minister Mr Subrahmanyam Jaishankar, exchanging best wishes for the New
Read Moreশিতাংশু গুহ, নিউইয়র্ক।। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি এবং তার শোকসন্তপ্ত
Read Moreদিলীপ চক্রবর্তী ২০২৬ এর বঙ্গ সম্মেলন নিয়ে কয়েকটা কথা না বললেই নয়। সত্যি বলতে কি আমার মত সাধারণ মানুষ “বঙ্গ
Read Moreদিলীপ চক্রবর্ত্তী সারা বিশ্বে “আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস” সাধারণত ১৮ই ডিসেম্বর পালন করা হয়ে থাকে। তবে আমেরিকায় এ দিনটিকিন্তু ২৮শে ডিসেম্বর পালন করা হয়ে থাকে। অভিবাসন কিন্তুশুরু হয়েছে মানবজাতির রক্ষা ও উন্নতির প্রয়োজনে।পূরাকালে মানুষ নিজের প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্যত্রগিয়ে স্থিতিশীল হয়েছে জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে। বর্তমানযুগের অভিবাসনও কিন্তু একই কারণ ও প্রয়োজনেই সৃষ্টিহয়েছ। বিভিন্ন দেশে গিয়ে লোকেরা নতুনভাবে নিজেদের স্থায়ীনিবাস তৈরী করছে এবং নূতন করে জীবন শুরু করছে। স্বভাবতঃই একটা প্রশ্ন ঊঠে আসে অভিবাসী বা অভিবাসনের সংজ্ঞা কি? আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে বলতেগেলে – যখন কোন মানুষ একক বা দলগতভাবে একটিদেশের আইনী সীমা অতিক্রম করে অন্য একটি দেশেস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য গমন করে, তারাই তখন প্রকৃতঅভিবাসী বা অভিবাসনের ভোক্তা জনগোষ্টি। তবে মনেরাখবেন এ প্রক্রিয়াটি অতি অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন বানিয়ম মেন হতে হবে। বর্তমানযুগে মানুষ বিভিন্ন কারণেঅভিবাসনে আগ্রহী হয়। তার মধ্যে প্রধান দুটি কারণ হলরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক। এর বিশেষ উদাহরণ হল – দ্বিতীয়বিশ্বযুদ্ধেরপর বিশেষ অভিবাসন দিয়ে একটি নতুন দেশেরসৃষ্টি করা হয়েছিল ১৪ই মে, ১৯৪৮, মধ্যপ্রাচ্যে যার নাম “ইজরাইল”। ইজরাইলে ইহুদিরা স্থান পেল কিন্তু ঐ স্থানেবসবাসকারী প্যালেস্তানীয়রা বাসস্থানহারা হয়ে উদবাস্তু হয়েগেল। তার ফলে নতুন ছোট্ট দেশ ইজরাইল ও প্যালেস্তানীয়দের মধ্যে যুদ্ধং দেহি সমস্যার সৃষ্টি হয়ে গেল। ইজরাইল ও প্যালেস্তাইনের মধ্যে ১৯৪৮এর মতানৈক্যর প্রভাবেআরব দুনিয়ার সাথে ইজরাইলের তিনটি বড় যুদ্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু আজও শান্তি স্থাপিত হয়নি। অভিবাসন নিঃসন্দেহে যে কোন দেশের পক্ষে সুদুরপ্রসারীপরিবর্তন সৃষ্টি করতে পারে, অভিবাসনের মাধ্যমে নতুনপ্রতিভা সম্পন্ন শ্রমজীবিদের এনে দেশের শ্রমিকের চাহিদা পূরণকরা যায়, দেশের সম্বৃদ্ধি সাধন করা যায়। যেমন আমেরিকায়নতুন অভিবাসী চীনদেশীয় শ্রমিক কৃতিত্বের সাথেআমেরিকায় রেলরোড স্থাপন করেছে, তেমনই আবার জাপানীঅভিবাসীগণ কৃষি উন্নয়নে সাহায্য করেছে ক্যালিফোর্নিয়াতে। যে কোন দেশের পক্ষেই অভিবাসন আশীর্বাদ হয়ে উঠতেপারে। তবে অভিশাপ হওয়ার দৃষ্টান্তও কম নেই। বিশেষ করেবিগত শতাব্দীর শুরুতেই আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অভিবাসীরাইউরোপের শ্রম চাহিদা পূরণের উৎস হয়ে ঊঠেছিল।ইউরোপের উন্নতির অন্যতম অংশীদার হল সকল অভিবাসী মানুষ যারাবিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নিজেদের গৃহস্থাপন করে ইউরোপকে সম্বৃদ্ধশালী করেছে। অভিবাসন শিক্ষা সংস্কৃতি ও সামাজিক মিলনের এক অভিনবসুযোগের সৃষ্টি করে দেয়। অভিবসীরা নিজেদেরকে নতুনদেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির সাথে যোগসাধনের এক অপূর্বসুযোগ পেয়ে থাকে। নিজের সত্বা বাজায় রেখেও নতুন দেশেরসাথে মিশে গিয়ে নিজেদের স্থাপন করে প্রতিটি অভিবাসী। এটা এক ধরণের বিশেষ সামাজিক নৈপূন্য ও ত্যাগের উদাহরণযা অভিবাসীরা সহজেই গ্রহণ করে থাকে। অভিবাসনআশ্রয়দাতা দেশের অর্থনীতির উন্নতি সাধনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে থাকে। আবার অন্য দিকে অভিবাসী জনগণসমাজের বোঝা হয়েও যেতে পারে। যেমন ইউরোপ এবংআমেরিকার সমাজ ব্যবস্থার কল্যানমূলক দিকগুলির ফয়দালুটে নেওয়া। দেখা গেছে অনগ্রসর দেশগুলির অভিবাসীদেরএকাংশ অভিবাসী হওয়ার সাথে সাথেই জাতীয় “ত্রানসংস্থার”(ওয়েলফেয়ার) দ্বারস্থ হয়ে সমাজের বোঝা হয়ে যায়। উত্তর আমেরিকার ভারতীয় অভিবাসীরা সত্তরের দশক থেকেআসা শুরু করেছিল। আজ তারাই আমেরিকার আর্থিকসাফল্যের শিখ্রে স্থান করে নিয়েছে। শুধু আর্থিক জগৎ ই নয়তারা নিজেদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে ধরে রেখেও মূলআমেরিকার জনজীবনের স্রোতে মিলিত হয়েছে। রাজনৈতিকজগতের সাফল্
Read Moreশিতাংশু গুহ, নিউইয়র্ক।। শনিবার ২০শে ডিসেম্বর সকালে ঘুম থেকে উঠে কম্পিউটার খুলতেই সাপ্তাহিক বাঙ্গালী পেলাম। দেখতে চাইলাম ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু
Read More