পুরসভায় মাঠের বাইরে বিজেপি, ভাইপোকে ভোট দিন বলছে সিপিএম

দেবারুণ রায়

রাজ্য রাজনীতিতে লাল রংয়ের দিন গিয়েছে ফেলে ছড়ে প্রায় এক যুগ। যাই যাই করে লাল যায়নি তার পরেও আরও পাঁচ বছর। তখনও বিধানসভায় লাল তেরঙার অবশেষ অবশ্যই ছিল। মিলেমিশে তারাই ছিল বিরোধীপক্ষ। বিজেপি তখনও অ্যামিবা। কেন্দ্রের ভারে ভারি থাকলেও, বিধানসভায় আড়ে বহরে তিন। মোটামুটি এটাই বিজেপির সিন। তৃণমূল, মানে নীল সাদা জমানার শুরু থেকে।পরিবর্তনের বয়স এগারো হতে চলল। এবং বাংলার রঙ দুরন্ত ঘূর্ণির মতো বদলে এবার  হল  নীল সাদা আর গেরুয়া। গেরুয়াদের নিয়ে  মোটেই ছেলেখেলা চলেনা। বাংলার বহুচর্চিত বামেরা চড়চড় করে বাড়ছে যখন ,সেই সাড়ে তিন দশকে শুধু তেরঙা- বিরোধীপক্ষের মাপ ছিল এই ৭৭ এর মতোই।  কখনও একটু আড়ে বেশি বা বহরে কম। সেই মাপটা একা বিজেপির মাপ। তিন থেকে সাত হতেই দম বেড়িয়ে যায়।  এতো সাতে সাত ! এটা একটা রাজনৈতিক জিমের কৃতিত্ব।  বাংলায় এই জিমন্যাস্টিকসের প্রচলন হল। ইতিহাস এবং বর্তমান এই জিমের কথা কদাচ ভুলবেনা। ভবিষ্যতে এমন জিম আরও দেখা যাবে। এবারের বিজেপির এহেন দেহপট স্ফীত করতে স্টেরয়েড লাগলেও সেটা বাংলার মসনদের ল্যাবরেটরিতেই তৈরি। সুতরাং রামের কৃপায় আরাম। আর কোনও আপদ বালাই নেই।   কমিউনিস্টরা আপাতত কোনও আলোচ্য বিষয় নয়।

এবং রাজ্যের যেমন পরিবর্তন হয়নি একুশের ভোটে, তেমনি এই একুশেরই শেষমাসের তাৎপর্যপূর্ণ সংখ্যার তারিখ  ঊনিশেও কলকাতা বদলাবে না। একথা বলতে কোনও ঝুঁকি নেই। শুধু মনের মধ্যে উঁকি দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোনা সিপিএমের একটা স্লোগান। কলকাতার নাম আছে স্লোগানে,  তাতো মানতেই হয়। একেক দলের স্লোগানে একেকরকম রস। কিন্তু রসবোধটা কমন। সে যেমন দ্যোতনারই হোক না কেন। কলকাতার দক্ষিণ প্রান্তের এক পথসভায় সিপিএমের ওই তরুণ প্রজন্মের অগ্রণী এক কর্মী বলছিলেন পুরসভা ভোটে বামফ্রন্টের ম্যানিফেস্টো বা ইস্তাহার নিয়ে। তাঁর নামটি শুনে মনে হল, করোনার তীব্র আতঙ্কের লকডাউনে,  থালা বাজানো বিভীষিকার সময়ে কাজ হারানো , প্রায় সব হারানো মানুষের মুখে যাদবপুরের কমিউনিটি কিচেন থেকে যারা খাবার তুলে দিয়েছে দিনের পর দিন, নামমাত্র পয়সা নিয়ে বা না নিয়ে, তাদেরই মধ্যে প্রথম শুনেছিলাম এই তরুণের নাম । সুদীপ সেনগুপ্ত। নামহীন পদহীন হলেও এই তরুণরা সুরহীন তালহীন নন বড় ছিন্ন ছিন্ন এই দিনে।

হ্যাঁ। সুদীপ বলছেন, ‘কলকাতার গাড়িটা এবার বাঁ দিকে ঘোরান। এটাই বাম ইস্তাহারের ধরতাই। মানে ডানদিকে গাড়ি তো দশবছর টানা চলছে। প্রথম পাঁচে যতটা ছিল,পরের পাঁচে তার চেয়েও ক্ষয়পাতালে গেছে। উৎসবে বা উৎকণ্ঠায়, বসন্তে বা বর্ষায় নাগরিকদের জীবনে তো কোনও নতুন আশার দোলা আসেনি।’ কেউ জুড়ে দেন, “কলকাতা লন্ডন না লন্ডভন্ড কী হয়েছে কেউ বলবে ? ” ডানদিকে পথ না পেলে বাঁ দিকেই স্টিয়ারিং ঘোরাতে হয়।”  সেই ভাবেই পথ চলার পরামর্শ দিচ্ছে বামফ্রন্ট। প্রসঙ্গত মনে পড়ল  পথ চলার আদি শর্ত হল বাঁ দিক ঘেঁষে চলা। পুরনো প্রযুক্তির শর্ত, লেফট হ্যান্ড ড্রাইভ।  কিন্তু মডার্ন মডেলে থাকে রাইট হ্যান্ড ড্রাইভের ব্যবস্থা।  মোদ্দা কথা, বাঁ দিকের রাজনীতির ভবিষ্যত বদলের চটজলদি কোনও দাওয়াই না থাকলেও বামেদের আচরণ প্রকরণের ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে।  এই কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের ইস্তাহারে সেই পরিবর্তনের চিহ্ন স্পষ্ট। ব্রিগেড জমায়েতের  আগে “টুম্পা সোনা” হিট হলেও ভোটের ফলাফলে বামেরা ঢিট হবার পর গানের ঘাড়েও কিছুটা দোষ চাপে। বলা হয়, ওইসব চটুল চটকদারিতে কি ভোটের সংগঠন হয় ? সুখে অসুখে সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়ালে,  যোগসূত্র রাখলে তবে মানুষ তাদের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু এই কথা মাথায় নিয়েই মানুষের সঙ্গে সংলাপের ভাষা ও তার মনস্তাত্ত্বিক মোড়ক আমূল বদলে ফেলেছে সিপিএম। পেশাদার সংস্থাকে দিয়ে জনসম্পর্কের পরিভাষায় প্রচারের পদ্ধতি ও প্রকরণ বদলের পথে না হেঁটেই একাজ করেছে। বাম মতাদর্শে বিশ্বাসী যেসব পেশাদার কমরেড  আছেন তাঁদেরকেই কাজে লাগিয়েছে। ফলে নিখরচায় বা কম খরচে একটা বেশ স্ট্রাইকিং আপিল। কঠিন কঠিন ভাষায় বাস্তবতা বোঝানো যে কতটা অবাস্তব, নতুন দিনের চাপ সেটা বোঝাতে পেরেছে। সেকালের হীরো যে এখন সেকেলে আর জিরো সেটা না বোঝাটা দলের ওপর বিরাট বোঝা।  তাই আগে তো নিজের ভেতরের বাধা দূর করতে হবে।  তারপর তো বাইরের ব্যারিকেড ভাঙার প্রশ্ন।  সেটা দেরিতে হলেও শুরু এই কর্পোরেশন ভোটে। চলতি প্রজন্মের গুণমানের দিক থেকে বামেরা যে অন্যদের চেয়ে অনেকটা বেশি এগিয়ে সেটা তো শত্তুররাই বলছে। আর এই আরম্ভ যখন ওয়ার্ড থেকে হয় তখন সংগঠনের পায়ে পায়ে হাঁটতে থাকে আগামী কালের দিশা। যদিও এই ১৯ডিসেম্বরের ঊনিশেও বিজেপিকে ফিনিস করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে তৃণমূল। শোভনের কেন্দ্র তাই দেখছে রত্নাকে। যথেষ্ট শোভন রাজনীতি। বিধায়ক রত্না জিতলে কীজানি কী হয় ! ভাবছেন সবাই।  যদিও এটা মোটেই কোনও কঠিন চাল নয়। ববিকে পুর টিকিট দিয়ে দল যে বার্তা দেওয়ার দিয়েছে। পুরসভার টিকি বাঁধা ওখানে। ট্রামের টিকির মতো। শোভন-বিদ্রোহ সামাল দিতে যাঁকে ছাড়া আর কাউকে ভাবেননি মুখ্যমন্ত্রী ও দলনেত্রী। তাঁর কাছে নির্ভরযোগ্য  নেতার তো কমতি ছিল না। তাই ববিই তাঁর দলের মনমোহন। জেতার জন্যে কর্পোরেশনের যে এলাকায় একচ্ছত্র তৃণমূল সেই এলাকাটিকে তো সুনিশ্চিত করতে হবে। এবং তলে তলে শোভনের দিক থেকে যদি কোনও চোরা স্রোতের টান থাকে, ববি হাকিম তা মেপে নিতে পারেন অবশ্যই। 

কিন্তু সে ভয়ে চিন্তিত নয় তৃণমূলের হৃদয়।  একে কলকাতা তায় আবার কর্পোরেশন। এখানে জোড়া ফুল বিনে গীত নেই। এই নরম শীতে কলকাতার  আলতো আদরে বাড়ি বাড়ি ছাদে ছাদে টবে টবে ঘাসফুল ফুটবে , হোক না তিনমাস পরে বসন্ত।  তখন চাঁদ উঠবে  ফুল ফুটবে জেলায় জেলায় পুরসভায়। কল্লোলিনী কলকাতা থেকেই সেই কল। মানে ডাক দেওয়ার স্টেজ লাইট ক্যামেরা সব রেডি। যেসব খোঁচ আছে সেসব বলার মতো কেউ নেই।  মানে কলকাত্তাই বাবু বিবিরা যাদের কথা কানে নেন এমন কেউ বাজারে নেই। যারা বলবে, কলকাতা যে কল্লোলিনী তা এবার বর্ষায় মালুম হয়েছে।  বেহালার একটা এলাকায় একতলায় হাঁটু জল নামেনি দীর্ঘদিন।  করোনার কল্যাণে শাপে বর কর্পোরেশনের। পনেরো মিনিটের কাজ পনেরো দিনেও হয়নি। আর হবি তো হ সেই সময়েই নারদ নারদ করে নামল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গারদ থেকে গৃহবন্দি এবং মধ্যিখানে হাসপাতালেও কেউ গেলেন। প্রাক্তন, বর্তমান সব মেয়রকে নিয়ে “ষড়যন্ত্র” জল জমা কলকাতায়। জল ছিল মেয়রের চোখেও। তিনি বললেন, “কলকাতাকে বাঁচাতে দিলনা আমাকে।” এসব কথা অবশ্য ভুলেই গেছে সবাই। কল্লোলিনী কলকাতারই কল্লোল হবে হয়তো। মূল বিরোধীদল  বিজেপি যেন বিবাগী পুরভোটের মুখে। কোথায় সেই উৎসাহ উদ্যোগ উদ্দীপনা উল্লাসের ঘনঘটা, যা ক’মাস আগেই বিধানসভার ভোটের সময় ছিল। তৃণমূলের একদল প্রাক্তনী তাদের পুরনো দলে ফিরেছে। তাতে বিজেপি রণে ভঙ্গ দেবে কেন ? কীসের এত হতাশা ? দান ছেড়ে দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।  তবে ? মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখের দুদিন আগে একটা ঢ্যাঁড়াসই প্রার্থীতালিকা এল। ইস্তাহারের দেখা নেই। রাজ্যের নতুন সভাপতির উদ্যম তো চোখে পড়ার কথা। কিন্তু দলটারই হতোদ্যম দশা ! দলের মুখপাত্রদের মুখেও সেই ঝাঁজ নেই।  একটা গয়ংগচ্ছ ভাব। এতো যেন অভাবে স্বভাব নষ্ট।  কিন্তু সাতাত্তর আসন নিয়ে অভাব কীসের। এর অর্ধেক নিয়ে তো কাঁপিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। তবে কি কেন্দ্র তাদের রাশ টেনে ধরেছে ? দিলীপের মতো হাঁকডাক না করার জন্যই কি শান্ত সুকান্ত ? বাংলার ধীরে চলো নীতি কি কংগ্রেস বিহীন রাজ্য বলে ? কারণ এখন তো কংগ্রেস মুক্ত ভারতের লক্ষ্যে ডবল ডেকার রাজনীতি।  বা টু ট্র্যাক কূটনীতি। আখেরের দিকে তাকিয়ে।  লড়াইয়ে জিততে হলে সব ফ্রন্টে একসঙ্গে লড়তে নেই। একের পর এক। সবচাইতে বড় শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধের পাশাপাশি মেজ সেজ দুশমনদের নানাভাবে ট্যাকল করতে হয়। যেমন,” ভয় পেয়োনা ভয় পেয়োনা তোমায় আমি মারবনা। সত্যি বলছি তোমার সঙ্গে যুদ্ধ করে পারবনা।” এটাও একটা রণকৌশল। তাই বড় ভোটের সময় তো লড়তেই হবে। যেমন বঙ্গ থেকে উত্তর প্রদেশের নির্বাচন।  অকংগ্রেসি বিরোধী হলেও জান লড়িয়ে এলাকা দখল করতে হবে। বিধানসভায় সিট না বাড়লে কি   লোকসভায় বাড়বে ? পুরসভা সে গোত্রের নয়। এবং পরের বড় ভোট হতে হাতে আছে অঢেল সময়। তার মধ্যে কোথাকার জল কোথায় গড়ায় কে বলবে । সুতরাং  পুরসভায় বিজেপির প্রার্থী  হতেও কোনও ইচ্ছে নেই কর্মী সমর্থকদের।  কোনও প্যারবি নেই সুপারিশের নামগন্ধ নেই।  কিছু দরখাস্ত এসেছে লেটারবক্সে তাই থেকে কিছু আর আরএসএসের কাছ থেকেই বেশিরভাগ নাম নিয়ে প্রার্থীদের তালিকা। তবে সংগঠনের মূল কথায় ভুল করে না আরএসএস। তাই পুরোনো হিন্দুত্ববাদী পরিচয় দেখে টিকিট দেওয়া হয়েছে। অযথা “বহিরাগত” প্রচারের ভয়ে পিছু হটেনি। অবাঙালিদের বাদ দেওয়ার কথা ভাবেইনি। কারণ, পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে। নতুন চাল গলে যায়।

আর, তৃণমূলের তো চলমান বিজয়োৎসব। বিধানসভার পর উপনির্বাচনে জয়ের পর জয়ের আসল  চাবিকাঠি তাদের করায়ত্ত। মুকুলের কুলে ফেরা থেকে বাবুলকে পাওয়ার পর বিজেপিকে হারানোর পালা শেষ। বাংলায় একচ্ছত্র হয়ে এখন দেশের কথা ভাবার পালা। তীব্র সংশয় সংকট ডেকে এনেছে বাম কংগ্রেসে।  জোট বা নির্জোট কোনওটাই সঠিকভাবে বলতে পারছেনা দুদল। তারা নিরীহভাবে কিছু ওয়ার্ড ছেড়ে রেখেছে কংগ্রেসের জন্যে।  কংগ্রেসও সেই মতো হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের দিকে।

এই ধরনের অসম প্রতিযোগিতার বাজারে পেশাদার ভোট পরামর্শদাতা পিকে বা প্রশান্ত কিশোরের পছন্দমাফিক তৈরি তালিকায় প্রচুর কাটছাঁট করে দিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মমতা ও অভিষেকের উপস্থিতিতেই অনুষ্ঠিত বৈঠকে পার্থ , বক্সি ও ববি ছেঁটে বেশ কিছু প্রার্থীকে মনোনীত করলেন। পার্থ ও বক্সি বেশ সরব ছিলেন। তাঁদেরকে শ্লেষের সঙ্গে বলতে শোনা গেল, “আমরাও বাংলাকে আর বাংলার মানুষকে চিনি।” মমতার অনুমোদন বা নির্দেশ ছাড়া এই দুজন কিছু বলেন না । তাই পিকের পরামর্শ আর এগোয়নি।  দলের নাম্বার টু অভিষেক নীরব ছিলেন। 

আপাতত কংগ্রেস নিয়ে এমপিদের সরব হওয়ারই কথা। তাঁরা হচ্ছেন। আর পুরপ্রাথী নিয়ে বিব্রত পিকে রাহুল গান্ধীর দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন ব্যাট। ক্রিজের বাইরে গিয়ে কিনা তা জানা যায়নি।

এদিকে শোনা গেল সিপিএম ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের প্রার্থীর প্রচারে বলছে, ভাইপোকে ভোট দিন। এ অন্য কারও নয়, আপনাদেরই ভাইপো। প্রার্থী পাবলো ( অর্করঞ্জন ) রেড ভলান্টিয়ার।  আইনজীবী পেশায় হলেও লাজুক ছেলে কোনও মতেই দলের ভাইপো লাইনে নেই।  কাকাও ভাই ভাতিজাবাদের বিরুদ্ধে। তাই কোনও মতেই প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর নাম ভাঙিয়ে রাজনীতি করতে নারাজ ভাইপো  বললেন, কাকা সবসময়ই খবর নেন। কিন্তু আমি ওঁকে টানছিনা। বারো সাল থেকে ছাত্র রাজনীতিই আমার শুরু ও পরিচয়। “ভাইপোকে ভোট দিন” শুনে বিব্রত পাবলো। কিন্তু এই ভোটযুদ্ধে রঙের যেন শেষ নেই।  যেমন , ঝাঁপিয়ে কাঁপিয়ে প্রচার করছে তৃণমূল এক ভাইঝিকে নিয়ে। এখানে ভাইঝির বাবা, মানে “দাদা”র নামেই খবর। তিনি সম্প্রতি প্রয়াত আরএসপির বিশাল নেতা ও বাম জমানার বুদ্ধবিরোধী শিবিরে সুভাষ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ ক্ষিতি গোস্বামী। সিঙ্গুরের রণাঙ্গনে  মমতার মঞ্চে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। আর পশ্চাদভূমিতে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামে শিল্প রুখতে সক্রিয় ছিলেন ক্ষিতি। তাতে ক্ষতি হয়নি ওঁদের। মেয়েকে এবার নিশ্চিত জয়ের লক্ষ্যে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *